একটি খেজুরে কত ক্যালরি থাকে
খেজুর এমন একটি ফল যা ছোট হলেও পুষ্টিগণে ভরপুর। রোজা সকাল বেলার নাস্তা কিংবা হালকা ক্ষুধা মেটাতে অনেকেই খেজুর খেতে পছন্দ করেন। শুধু স্বাদই নয়,এতে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার, ভিটামিন ও মিনারেল এর ভালো সমন্বয়। বিশেষ করে যারা দ্রুত শক্তি পেতে চান,তাদের জন্য খেজুর বেশ জনপ্রিয় একটি খাবার।
পেইজ সূচিপত্রঃ একটি খেজুরে কত ক্যালরি থাকে
- একটি খেজুরে কত ক্যালরি থাকে
- খেজুরের পুষ্টিগুণ
- খেজুর খাবার উপকারিতা
- খেজুর ওজন বাড়ায় নাকি কমায়
- ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেজুর খেতে পারবেন
- প্রতিদিন কতটি খেজুর খাওয়া ভালো
- খেজুর খাওয়ার সেরা সময়
- অতিরিক্ত খেজুর খেলে কি সমস্যা হতে পারে
- ভালো খেজুর চেনার উপায়
- খেজুর সংরক্ষণের টিপস
- শিশুদের জন্য খেজুর কি ভালো
- উপসংহার
একটি খেজুরে কত ক্যালরি থাকে
সাধারণভাবে একটি মাঝারি আকারের খেজুরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ ক্যালরি থাকে। তবে খেজুরের ধরন ও আকার অনুযায়ী এর পরিমাণ কিছুটা কম বেশি হয়ে থাকে।
উদাহরণ হিসেবে যদি বলি–
- ছোট আকারের খেজুরে প্রায় ১৮ থেকে ২০ ক্যালরি থাকে।
- মাঝারি আকারের খেজুরে প্রায় ২৩ থেকে ২৫ ক্যালরি থাকে।
- বড় আকারের মেডজুল খেজুরে ৬০ থেকে ৭০ ক্যালরিও থাকতে পারে।
খেজুরে মূলত প্রাকৃতিক শর্করা থাকে যা শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায় এজন্য অনেকেই ব্যায়ামের আগে বা ইফতারের সময় খেজুর খান।
একটি বিষয় মনে রাখা দরকার, খেজুরে ক্যালরি থাকলেও এটি জাঙ্ক ফুডের মত ক্ষতিকর নয় কারণ এতে ক্যালরির পাশাপাশি পুষ্টিগুণও রয়েছে।
খেজুরের পুষ্টিগুণ
খেজুর শুধু ক্যালরির উৎসই নয়, এতে আরো অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে। যেমন–
ফাইবার
খেজুরে থাকা ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতে সহায়ক। এছাড়াও নিয়মিত পরিমিত খেজুর খেলে পেট দীর্ঘ সময় ভরা ভরা লাগে। খেজুর ফাইবার অন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে খেজুর ভালো একটি প্রাকৃতিক খাবার হিসেবে ধরা হয়।
আইরন
খেজুরে কিছু পরিমাণ আইরনেরও উপস্থিতি রয়েছে, যা শরীরের জন্য উপকারী একটি খনিজ উপাদান।আইরন রক্ত উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যাদের শরীরে দুর্বলতা বা ক্লান্তি বেশি লাগে, তারা খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখতে পারেন। অনেকেই আবার রক্তস্বল্পতা কমানোর সহায়ক খাবার হিসেবে খেজুর খেয়ে থাকেন। তবে শুধুমাত্র খেজুরের উপর নির্ভর না করে সুষম খাবার খাওয়াও জরুরী।
পটাশিয়াম
খেজুরে পটাশিয়াম থাকে, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলোর একটি। এটি শরীরের পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজ করতে সাহায্য করে। পরিমিত খেজুর খেলে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পটাশিয়ামের সৃষ্টি হয়। এর ফলে পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে। তাই পুষ্টিকর খাদ্যতালিকায় খেজুরকে অনেকেই গুরুত্ব দেন।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর উপাদানের প্রভাব কমাতে ভূমিকা রাখে। তবে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরের ক্লান্তি কিছুটা কম অনুভূত হয় এবং ত্বক ও শরীরের স্বাভাবিক সতেজতা বজায় রাখতেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকায় খেজুরকে অনেকেই পুষ্টিকর ও উপকারী ফল হিসেবে রাখেন।
আরও পড়ুনঃ খেজুর খেলে শরীরে কী কী উপকার পাওয়া যায়
খেজুর খাবার উপকারিতা
- খেজুর খেলে খুব দ্রুত শরীরে শক্তি উৎপাদিত হয়।
- খেজুর খাবার পর অনেকেই দ্রুত এনার্জি অনুভব করে। কারণ এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি খুব দ্রুত শরীরে কাজ করে।
- যারা সারাদিন ব্যস্ত থাকেন বা দুর্বল লাগে তারা হালকা নাস্তা হিসেবে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলবেন।
- বিশেষ করে যাদের হজমে সমস্যা তারা যদি নিয়মিত খেজুর খান তাহলে তাদের হজম ক্রিয়ার শক্তি অনেক বেড়ে যাবে।
- দেহে রক্তস্বল্পতা থাকবে না যদি প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে খেজুর খান।
- খেজুরে থাকা আইরন রক্ত তৈরিতে ভূমিকা রাখে। যদিও এটি একমাত্র সমাধান নয় তবে পুষ্টিকর খাবারের অংশ হিসেবে এটা উপকারী।
- খেজুরের পুষ্টি হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।
- পরিমিত খেজুর শরীরের জন্য ভালো ফ্যাট ও মিনারেল সরবরাহ করে। এতে থাকা পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সাহায্য করে।
- গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর উপকারী। অনেক গর্ভবতী নারী পরিমিত খেজুর খান কারণ এটি শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। তবে বিশেষ শারীরিক সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
খেজুর ওজন বাড়ায় নাকি কমায়
এই প্রশ্নটি অনেকেই করেন। আসলে খেজুর ওজন বাড়াবে নাকি কমাবে তা নির্ভর করে কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। যদি অতিরিক্ত খাওয়া হয় তাহলে বাড়তি ক্যালরির কারণে ওজন বাড়তে পারে আবার পরিমিত খেলে এটি স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে কাজ করতে পারে। যারা ডায়েট করছেন তারা সাধারণত দিনে ২-৩টি খেজুর খান।এতে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছাও কিছুটা কমে।
ডায়াবেটিস রোগীরা কি খেজুর খেতে পারবেন
খেজুর মিষ্টি হলেও এতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে একেবারে বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক নয়।
তবে অনেক চিকিৎসক সীমিত পরিমাণে খেতে অনুমতি দেন।কারণ এতে ফাইবার রয়েছে। সাধারণভাবে –- একসাথে বেশি খেজুর খাওয়া উচিত নয়।
- খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া ভালো।
আরও পড়ুনঃ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কোন খেজুর সবচেয়ে ভালো
প্রতিদিন কতটি খেজুর খাওয়া ভালো
স্বাভাবিকভাবে একজন সুস্থ মানুষ দিনে দুই থেকে চারটি খেজুর খেতে পারেন।তবে বয়স, শারীরিক অবস্থা ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী এই পরিমাণ ভিন্ন হয়ে থাকে।
শিশুরা দৈনিক ২-৩টা খেজুর খেতে পারবে। যারা তরুণ তারা শিশুদের থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ খেজুর খাবে। অর্থাৎ ৫-৬টা আরামে খেতে পারবে। তবে যারা বয়স্ক রয়েছেন তারা শিশুদেরকে অনুসরণ করবেন। অর্থাৎ ২-৩টা খেলেই চলবে।
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তারা তুলনামূলক একটু বেশি খেতে পারবেন।আবার যাদের ডায়াবেটিস বা ওজন জনিত সমস্যা আছে তাদের কম খাওয়া ভালো।
খেজুর খাওয়ার সেরা সময়
ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে খাবার হিসেবে খেজুর খেলে শরীরে দ্রুত শক্তি উৎপাদিত হয়।অনেকেই সকালে দুধ বা বাদামের সঙ্গে খেজুর খেতে পছন্দ করেন। বেশিরভাগ মানুষই রমজান ব্যতীত ভোরবেলা অর্থাৎ সকালে নাস্তার সঙ্গে খেজুর খেয়ে থাকেন।
রমজানের সময় খেজুর খুবই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর ইফতারের সময় খেজুর খেলে এটি দ্রুত শরীরে শক্তি ফিরে আনতে সাহায্য করে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে আমরা রমজানে ইফতার এবং সেহরির সময় যে পরিমাণ খেজুর খেয়ে থাকি বছরের অন্যান্য সময় তেমন খাওয়া হয় না।
খেজুর খাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে জিম বা ব্যায়াম এর আগে এক থেকে দুটি খেজুর খেলে শরীরে কিছুটা এনার্জি চলে আসে। শুধু যে ব্যায়ামের আগেই খেতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। আপনি চাইলে ব্যায়াম শেষ করে রেস্ট বা বিশ্রাম নেওয়ার সময়ও খেতে পারেন। এতে কোন রকমের কোন সমস্যাই হবে না বরং আরো উপকার হবে।
অতিরিক্ত খেজুর খেলে কি সমস্যা হতে পারে
কোন খাবারই অতিরিক্ত খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয় ঠিক তেমনি করে খেজুরও এর বিকল্প নয়। অনেক পুষ্টিবিদগণ মনে করে থাকেন যে খেজুর আমাদের শরীরের জন্য উপকারী তবে অতিরিক্ত খেজুর খাওয়া ক্ষতির কারণ।
অতিরিক্ত খেলে যেসব সমস্যা দেখা দিতে পারে–
- অতিরিক্ত পরিমাণে খেজুর খেলে ওজন বেড়ে যাওয়া, পেটের সমস্যা, পেট ফোলা এবং ডায়রিয়ার মতো জটিল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
- অতিরিক্ত পরিমাণে খেজুর খেলে আপনার শরীরের ওজন ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে।
- খেজুরে যেহেতু ক্যালরি ও প্রাকৃতিক চিনি রয়েছে। তাই বেশি খেলে বাড়তি ক্যালরি জমবে এটাই স্বাভাবিক।
- রক্তের শর্করা বেড়ে যাবে। এতে করে শরীর ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারাতে শুরু করবে।
- ডায়াবেটিস রোগীরা বেশি খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবে।
- খেজুরে থাকা অতিরিক্ত ফাইবার অনেক সময় গ্যাস বা পেট ফাঁপার কারণ হয়ে উঠবে।
ভালো খেজুর চেনার উপায়
- বাজারে দেশি-বিদেশী অনেক ধরনের খেজুরই দেোখতে পাওয়া যায়। ভালো খেজুর বেছে নেওয়ার সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখবেন।
- খুব বেশি শক্ত বা খুবই শুকনো মনে হলে সেই খেজুর নিবেন না। এমনও হতে পারে সেই খেজুরটি অনেক পুরনো।
- চেষ্টা করবেন যে খেজুরে মাছি বেশি সেই খেজুর এড়িয়ে চলার। মাছি সবসময় অতিরিক্ত মিষ্টির প্রতি আকৃষ্ট হয়। আর আমরা তো জানিই যে খেজুর চিনির মতো কঠিন মিষ্টি হয় না।
- খেজুর নাকের সঙ্গে ধরে দেখবেন পচা বা খারাপ কোনো গন্ধ পাচ্ছেন কিনা। যদি অস্বাভাবিক কোন গন্ধ লাগে তাহলে সেই খেজুর নেওয়া হতে এড়িয়ে চলুন।
- বর্তমানে বাজারে কিছু অসৎ ব্যবসায়ীরা খেজুরকে টাটকা বা চকচকে ভাব দেখানোর জন্য কৃত্তিম সিরাপ ব্যবহার করে থাকেন। এজন্য খেজুর নেওয়ার সময় খুবই দেখেশুনে নিতে হবে।
- যেসকল খেজুরে বোটা নেই সেগুলো নিবেন না, কারণ সেই খেজুরগুলো পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয় খুব সহজেই।
- যে খেজুর দেখলে মনে হবে টাটকা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং নেওয়ার উপযোগী সেগুলো ভালোমতো যাচাই-বাছাই করে নিবেন।
খেজুর সংরক্ষণের টিপস
খেজুর দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরী। খেজুর হচ্ছে এমন একটি খাদ্য সামগ্রী যেটা ভালোমতো সংরক্ষণ করতে পারলে অনেক সময়ব্যাপী খাওয়ার জন্য সংরক্ষণ করা সম্ভব। খেজুর সংরক্ষণের টিপসগুলো হচ্ছেঃ
- খেজুরকে টাটকা রাখতে হলে প্রথমেই খেজুর পরিষ্কার করে নিয়ে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।ফ্রিজে খেজুর দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব।
- ঠান্ডার সময় খেজুর ফ্রিজে না রেখে বাহিরে সংরক্ষণ করলেও সমস্যা নেই। তবে গরমের সময় অবশ্যই ফ্রিজে রাখলে খেজুর ভালো থাকে।
- খেজুর এমন পাত্রে সংরক্ষণের চেষ্টা করবেন যেখানে বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। কারণ বাতাস যদি প্রবেশ করে তাহলে খেজুর কম সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাবে।
- খেজুর সংরক্ষণের সময় অবশ্যই নিশ্চিত করবেন খেজুরে যেন কোনো পানি না লেগে থাকে।পানি লেগে থাকলে সেটা পচনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
- ভেজা পরিবেশে খেজুর রাখবেন না কারণ ভেজা পরিবেশে খেজুর সংরক্ষণ করলে খেজুরে ফাঙ্গাসের সৃষ্টি হয়। যেটা দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর একটি উপাদান।
- খেজুর সতেজ রাখতে সিল্ড যুক্ত প্লাস্টিক ব্যাগে সংরক্ষণ করুন তাহলে ভালো ফলাফল পাবেন। তবে বেশি দিন সংরক্ষণ না করে টাটকা অবস্থায় খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।
শিশুদের জন্য খেজুর কি ভালো
অনেক মা জানতে চান শিশুদের খেজুর খাওয়ানো নিরাপদ কিনা। খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ একটি ফল যা শিশুর শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়ক। তবে পরিমিত পরিমানে খেজুর শিশুদের জন্য উপকারী।
খেজুর শিশুদের দেহে বদহজম প্রতিরোধ, শক্তিশালী দাঁতের গঠন,কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে রক্ষা, রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বৃদ্ধিসহ আরও অনেক উপকারী কাজ করে থাকে। শিশুর বয়স ও হজম ক্ষমতা অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে খেজুর খাদ্য তালিকায় যোগ করতে পারেন। এটি দুধের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুষ্টির উৎস হিসেবেও কাজ করে। তবে ছোট শিশুদের পুরো খেজুর না দিয়ে নরম করে বা ছোট টুকরো করে দেওয়া ভালো। এতে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকে কমে।
আরও পড়ুনঃ প্রতিদিন কতটি খেজুর খাওয়া স্বাস্থের জন্য নিরাপদ
উপসংহার
খেজুর সুস্বাদু ও পুষ্টিকর একটি ফল।সাধারণভাবে একটি খেজুরে প্রায় ২০ থেকে ২৫ ক্যালরি থাকে। যা শরীরকে দ্রুত শক্তি দিতে সাহায্য করে। এতে রয়েছে ফাইবার, আয়রন, পটাশিয়ামসহ নানা উপকারী উপাদান।
তবে যে কোন খাবারের মতো খেজুরও পরিমিত খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।অতিরিক্ত খেলেই যে বেশি উপকার হবে বিষয়টি এমন নয়। নিজের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী পরিমাণ ঠিক রেখে খেলে খেজুর স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে খবই উপকারী হবে।


ইনফোব্লেন্ড বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url